logo

Welcome To JBD IT


Student Registration

Client & Staf Login Area


Office use only Email Login Area


[email protected]
+88 01716905615
0
  • No products in the cart.
 

Apps Development

অ্যাপস ডেভেলপমেন্ট

 

অ্যাপস হলো অ্যাপ্লিকেশান এর সংক্ষিপ্ত রূপ। যা আপনি ডাউনলোড করে আপনার স্মার্টফোনে চালান। মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন বা মোবাইল অ্যাপস অথবা শুধু অ্যাপস হলো এক ধরনের কম্পিউটার প্রোগ্রাম বা সফটওয়্যার আপ্লিকেশন। অ্যাপস একটি মোবাইল ডিভাইস (ফোন, ট্যাবলেট) ব্যবহার করার জন্য অ্যাপস খুবই প্রয়োজনীয়। গুগল কর্তৃক অ্যান্ড্রয়েড ফোনের জন্য গুগল প্লেস্টোর এই ব্যবস্থা রেখেছে৷ এছাড়া আইফোনের জন্য অ্যাপস স্টোর এই ব্যবস্থা রেখেছে।

অ্যাপস ডেভেলপমেন্ট কোর্সের সুবিধা সমূহ

 

আমাদের দৈনন্দিন ব্যবহৃত হাতের মোবাইলটির জন্য তৈরিকৃত সফটওয়্যারকে আমরা সাধারণত মোবাইল অ্যাপ বলে থাকি। আর এর তৈরির পদ্ধতি হচ্ছে মোবাইল অ্যাপ ডেভেলপমেন্ট। অ্যাপের ব্যবহার আমাদের জীবনকে করেছে সহজ এবং স্বাচ্ছন্দ্যময়। সকালের অ্যালার্ম থেকে শুরু করে কোথাও যাওয়ার জন্য উবার কল সহ দিনের প্রায় সকল কাজের জন্য আছে একাধিক অ্যাপ। কিন্তু তাই বলে কি নতুন অ্যাপের চাহিদা কমে গেছে? কখনোই নয়। যতই নতুন অ্যাপ আবিষ্কার হোক না কেন, অ্যাপ এর নিত্যনতুন প্রয়োগ কখনোই থামবে না। তাই যে কেউই নতুন কোন আইডিয়া নিয়ে কাজ করতে পারে।

আগে অ্যাপ তৈরী করা অনেক কঠিন এবং সময়সাপেক্ষ ছিল। কিন্তু সময়ের সাথে সাথে এখন আর অ্যাপ বানাতে জটিল সব প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ ব্যবহার করে কোড করতে হয় না। অ্যাপ বানানোর জটিল সব সমস্যার সহজ সমাধান দিতেই তৈরী করা হয়েছে নানান রকমের ফ্রেমওয়ার্ক। এসব ফ্রেমওয়ার্ক ব্যবহার করতে কঠিন কোন ল্যাংগুয়েজ বুঝতে হয় না। কেবল ওয়েব ভিত্তিক ল্যাংগুয়েজ যেমন : জাভা, HTML, CSS এসব জানা থাকলেই ফ্রেমওয়ার্কগুলো ব্যবহার করা যায়।

অ্যাপ ডেভেলপমেন্ট ফ্রেমওয়ার্কগুলো মূলত একটি প্ল্যাটফর্ম দেয় এবং এমন একটি পরিবেশ প্রদান করে যেটি অ্যাপ তৈরী করার জন্য খুবই অনুকূল। এর মধ্যে বিভিন্ন লাইব্রেরী টুলস, ডিবাগার ছাড়াও থাকে নানান রকমের সুবিধাজনক ইন্টারফেস। এ ইন্টারফেসগুলো পুনরায় ব্যবহার্য। অর্থাৎ, নতুন অ্যাপ তৈরীর সময় প্রতিবার আমরা এসব ইন্টারফেস ব্যবহার করতে পারি।

 

 অ্যপস ডেভেলপমেন্ট কোর্সের বৈশিষ্ট্য সমূহ:

 

  •  অ্যাপস ডেভেলপমেন্ট সম্পর্কে পরিপূর্ণ ধারণা পাওয়া যায়।
  • সিলেবাস ভিত্তিক ক্লাস গ্রহণ ও সাপ্তাহিক পরীক্ষার ব্যবস্থা রয়েছে।
  • প্রতিটি ক্লাসে কম্পিউটার নিয়ে প্র্যাকটিস করার সুযোগ।
  • কাজের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত পরিপূর্ণ ফ্রিল্যান্সিং ও আউটসোর্সিং গাইড লাইন।
  • ওয়েব সাইট প্রোফাইল ও পোর্টফলিও তৈরির জন্য ডোমেইন-হোস্টিং সেবা।
  • নিজেদের স্কিল ডেভেলপমেন্ট হয়।
  • অনলাইন ও অফলাইনে দুই ধরনের ক্লাসের সুযোগ রয়েছে।
  • মাস্টার ট্রেইনার দ্বারা পরিচালিত ও ২৪ ঘন্টা অনলাইন সাপোর্ট।
  • ৩/৬ মাস মেয়াদী বেসরকারি সার্টিফিকেট দেওয়া হয়।
  • আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টি হয় ও নিজেকে উদ্যোক্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করা যায়।
  • ইন্টার্ণশিপ করার সুযোগ পাওয়া যায়।
  • কম্পিউটার ও ওয়াইফাই সুবিধা এবং শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত ক্লাসরুম।

অ্যাপস ডেভেলপমেন্ট কোর্স ফি

  • অফলাইন কোর্স
    • 12০০০ ৬ মাস
      • অফিসে বসে কোর্স করতে পারবেন।
      • কম্পিউটার এবং ওয়াইফাই সুবিধা
      • মাস্টার ট্রেইনার দ্বারা পরিচালিত
      • শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত ক্লাসরুম

    • রেজিস্ট্রেশন করুন
  • অনলাইন কোর্স
    • ১০০০০ ৬ মাস
      • জুম/গুগোল মিটের মাধ্যমে ক্লাস গ্রহণ
      • মাস্টার ট্রেইনার দ্বারা পরিচালিত
      • অনলাইনে পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ
      • অডিও/ভিডিও ই-লার্নিং ক্লাস

    • রেজিস্ট্রেশন করুন

কোর্স সম্পর্কে প্রশ্ন ও উত্তর

ক্যারিয়ার হিসেবে অ্যাপ ডেভেলপমেন্ট নিতে চাইলে কেমন হবে ?

ক্যারিয়ার হিসেবে অ্যাপ ডেভেলপমেন্ট নিতে চাইলে কেমন হবে সেটার উত্তর এককথায় বলতে গেলে অনেক ভালো অনেক ভালো এবং অনেক ভালো। বর্তমানে মোবাইল ইউজার যেমনটা বাড়ছে তেমনি মোবাইলে বিভিন্ন ধরনের ফিচার এবং বিভিন্ন ধরনের কাজের পরিধিও বাড়ছে তাই আপনারা চাইলেই যেকোনো রিলেটেড অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ বানাতে পারেন। একজন ভাল মানের ডিজাইনার অনলাইন মার্কেটপ্লেস গুলোতে প্রতিনিয়ত কাজ পাচ্ছে এবং তাদের ইনকাম দেখলে চোখ কপালে উঠে যাবে। আমার জানামতে বাংলাদেশ এবং ইন্ডিয়া তে অনেক অ্যাপ ডেভলপার রয়েছে যারা প্রতিমাসে ১০ লক্ষ থেকে ২০ লক্ষ টাকা ইনকাম করছে শুধুমাত্র অনলাইন মার্কেটপ্লেস গুলোতে কাজ করে। এছাড়া অনেকেই আবার বিভিন্ন স্পনসর এবং গুগল এডমোব ইউজ করে প্রচুর টাকা ইনকাম করছেন।

অফিসে কি কি প্রোগ্রাম শিখতে পারবো?

  • কম্পিউটার অফিস এপ্লিকেশন
  • প্রফেশনাল গ্রাফিক্স ডিজাইন
  • ওয়েবপেজ ডিজাইন ও ডেভেলপমেন্ট
  • ডায়নামিক ওয়েবপেজ ডেভেলপমেন্ট
  • অ্যাডভান্স আউটসোর্সিং
  • মোবাইল অ্যাপস ডেভেলপমেন্ট
  • তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ( HSC/SSC )

এই কোর্স করে সার্টিফিকেট কি পাওয়া যাবে?

হ্যাঁ, এই কোর্স করে ৩/৬ মাস মেয়াদী বেসরকারি সার্টিফিকেট দেওয়া হয়।

এই সার্টিফিকেট দিয়ে সরকারি চাকুরির কি জন্য আবেদন করতে পারব?

এই সার্টিফিকেট দিয়ে বেসরকারি চাকুরির আবেদন করা যাবে।

সরাসরি অফিসে এসে কিভাবে কোর্স করব?

আপনি সরাসরি অফিসে এসে অ্যাপস ডেভেলপমেন্ট কোর্স করতে পারবেন অথবা অনলাইনের মাধ্যমেও এই কোর্সটি করতে পারবেন।

সর্বমোট কতগুলো ক্লাস করানো হবে?

অ্যাপস ডেভেলপমেন্ট কোর্সে ১.৩০ ঘন্টা করে সপ্তাহে ৩ দিন, সর্বমোট ৭৫ টি ক্লাস করানো হয়। এবং সকল বিষয়ের উপর সাপ্তাহিক পরীক্ষা নেওয়া হয়।

অনলাইনের মাধ্যমে কি এই কোর্স করতে পারব?

অনলাইনের মাধ্যমেও এই কোর্সটি করতে পারবেন।

কোর্সের পেমেন্ট কিভাবে পরিশোধ করব এবং কোর্স ফি কত?

কোর্সের পেমেন্ট আপনি অফিসে সরাসরি জমা দিতে পারেন অথবা অনলাইনের মাধ্যমে জমা দিতে পারবেন।

এই কোর্সের জন্য কি বাসায় কম্পিউটার ও ইন্টারনেট থাকা প্রয়োজন?

অ্যাপ ডেভেলপমেন্ট কোর্সের জন্য বাসায় কম্পিউটার ও ইন্টারনেট থাকলে ভালো হয় তবে যদি না থাকে তাতেও কোন সমস্যা নেই আপনি আমাদের অফিসে এসে আপনার কোর্স সম্পন্ন করতে পারবেন এবং প্র্যাকটিস করার জন্য ও যথার্থ সময় পাবেন।

এই কোর্স সম্বন্ধে বিস্তারিত জানতে চাই?

আগে অ্যাপ তৈরী করা অনেক কঠিন এবং সময়সাপেক্ষ ছিল। কিন্তু সময়ের সাথে সাথে এখন আর অ্যাপ বানাতে জটিল সব প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ ব্যবহার করে কোড করতে হয় না। অ্যাপ বানানোর জটিল সব সমস্যার সহজ সমাধান দিতেই তৈরী করা হয়েছে নানান রকমের ফ্রেমওয়ার্ক। এসব ফ্রেমওয়ার্ক ব্যবহার করতে কঠিন কোন ল্যাংগুয়েজ বুঝতে হয় না। কেবল ওয়েব ভিত্তিক ল্যাংগুয়েজ যেমন : জাভা, HTML, CSS এসব জানা থাকলেই ফ্রেমওয়ার্কগুলো ব্যবহার করা যায়। অ্যাপ ডেভেলপমেন্ট ফ্রেমওয়ার্কগুলো মূলত একটি প্ল্যাটফর্ম দেয় এবং এমন একটি পরিবেশ প্রদান করে যেটি অ্যাপ তৈরী করার জন্য খুবই অনুকূল। এর মধ্যে বিভিন্ন লাইব্রেরী টুলস, ডিবাগার ছাড়াও থাকে নানান রকমের সুবিধাজনক ইন্টারফেস। এ ইন্টারফেসগুলো পুনরায় ব্যবহার্য। অর্থাৎ, নতুন অ্যাপ তৈরীর সময় প্রতিবার আমরা এসব ইন্টারফেস ব্যবহার করতে পারি।

বর্তমানে সকল প্রকার সরকারি ও বেসরকারি দপ্তর গুলোতে কম্পিউটার শিক্ষা গ্রহণ করা প্রার্থীদের চাহিদা ও মান অনেক বেশি। তাই আমরা সব সময়ই বলি একটি ভালো চাকরি পাওয়ার ক্ষেত্রে কম্পিউটার শিক্ষা এর গুরুত্ব অনেক রয়েছে। অ্যাপ ডেভেলপমেন্ট  কোর্স ৬ ও ৩ মাস মেয়াদী হয়। অ্যাপ ডেভেলপমেন্ট কোর্স করা থাকলে আপনি যেকোন ধরনের সরকারি ও বেসরকারি চাকুরি করতে পারবেন এছাড়াও ইন্টারনেট কোর্স শেখা থাকলে আপনারা বিভিন্ন কাজে যেমন ফ্রিল্যান্সিং বা বিভিন্ন মাধ্যমে ইন্টারনেট থেকে অনলাইনে টাকা আয় করতে পারবেন। অ্যাপ ডেভেলপমেন্ট  কোর্স শিখিয়ে আপনি নিজেও আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে পারবেন যা আপনাকে উদ্যোক্তা হিসেবে অনেক বেশি সহায়ক ভূমিকা পালন করবে।

 

আমাদের ক্লাস সমূহ