logo

Welcome To JBD IT


Student Registration

Client & Staf Login Area


Office use only Email Login Area


[email protected]
+88 01716905615
0
  • No products in the cart.
 

Digital Marketing

ডিজিটাল মার্কেটিং

 

ডিজিটাল মার্কেটিং হল ইলেকট্রনিক মিডিয়ার মাধ্যমে পণ্য, প্রতিষ্ঠান বা ব্র্যান্ডের প্রচারনাকে বোঝায়। বর্তমান যুগে ইন্টারনেট ব্যবহার করে আমরা এখন ঘরে বসে বিশ্বের সব খবরাখবর রাখতে পারছি, দুর দূরান্তের মানুষের সাথে সরাসরি ভিডিও কনফারেন্স এর মাধ্যমে একে অন্যকে দেখতে পারছি।এই ইন্টারনেট ব্যবস্থাকে কাজে লাগিয়ে যে ব্যবসায়িক মাধ্যম গড়ে উঠেছে তাকেই মূলত আমরা ডিজিটাল মার্কেটিং বলি।মার্কেটিং বলতে সাধারণত আমরা কোন পণ্য বা সার্ভিসের প্রচার প্রচারণাকেই বুঝি। কোন প্রোডাক্ট বা সার্ভিসের মার্কেটিং ডিজিটাল প্লাটফর্মে করাকেই ডিজিটাল মার্কেটিং বলা হয়। আমরা অফলাইনে বিভিন্ন প্রোডাক্ট বা সার্ভিসের যে মার্কেটিং দেখে থাকি সেইম একই কাজ অনলাইনে করা হলো ডিজিটাল মার্কেটিং।যারা ডিজিটাল মার্কেটিং এ কাজ করে তাদেরকে ডিজিটাল মার্কেটার বলা হয়। বর্তমানে ডিজিটাল মার্কেটিং এর চাহিদা ব্যপক আকারে বেড়ে গিয়েছে।

 ডিজিটাল মার্কেটিং কোর্সের সুবিধা সমূহ

 

বর্তমান সময়ে ডিজিটাল মার্কেটিং একটি অপরিহার্য অংশ। কারণ মানুষ এখন যেকোন পণ্য ক্রয় করার আগে ইন্টারনেটে ওই পন্য সম্পর্কে জেনে বুঝে তারপর ক্রয় করে। তাছাড়া মানুষ এখন দোকানে ঘুরে ঘুরে না কিনে, অনলাইন থেকেই বেশিরভাগ কেনা কাটা করে থাকে। ডিজিটাল মার্কেটিং এর সুবিধা হলো বিনিয়োগ করে সফল ভাবে মার্কেটিং করা সম্ভব। কাস্টমার টারর্গেট করে মার্কেটিং করা যায়। যা অন্য কোন মার্কেটিং করার ক্ষেত্রে সম্ভব নয়। সঠিক ভাবে মার্কেটিং করার মাধ্যমে অনেক বেশি বিক্রয় করা সম্ভব। ইচ্ছামত বিজ্ঞাপন পাবলিশ করা যায় এবং বন্ধ করা যায়। ডিজিটাল মার্কেটিং করার জন্য খুববেশি জ্ঞান থাকার প্রয়োজন পরে না। বিজ্ঞাপন বাজেট বৃদ্ধি বা কমানো যায়। বাজেট বৃদ্ধি বা কমানোর জন্য কোন ধরনের সমস্যার সৃষ্টি হয় না। মার্কেটিং করার জন্য অল্প টাকা বিনিয়োগ করার কারনে, পণ্য বা সেবার দাম বৃদ্ধি পায় না। ডিজিটাল মার্কেটিং করার মাধ্যমে সরাসরি কাস্টমারের কাছে বিজ্ঞাপন প্রচার করা যায়।

ডিজিটাল মার্কেটিং কোর্সের বৈশিষ্ট্য সমূহ:

 

  • ডিজিটাল মার্কেটিং সম্পর্কে পরিপূর্ণ ধারণা পাওয়া যায়।
  • সিলেবাস ভিত্তিক ক্লাস গ্রহণ ও সাপ্তাহিক পরীক্ষার ব্যবস্থা রয়েছে।
  • প্রতিটি ক্লাসে কম্পিউটার নিয়ে প্র্যাকটিস করার সুযোগ।
  • নিজেদের স্কিল ডেভেলপমেন্ট হয়।
  • অনলাইন ও অফলাইনে দুই ধরনের ক্লাসের সুযোগ রয়েছে।
  • মাস্টার ট্রেইনার দ্বারা পরিচালিত ও ২৪ ঘন্টা অনলাইন সাপোর্ট।
  • ৩/৬ মাস মেয়াদী বেসরকারি সার্টিফিকেট দেওয়া হয়।
  • সরকারি ও বেসরকারি দাপ্তরিক চাকুরী পাওয়া যায়।
  • আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টি হয় ও নিজেকে উদ্যোক্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করা যায়।
  • ফ্রিল্যান্সিং ও আউটসোর্সিং করা যায়।
  • ইন্টার্ণশিপ করার সুযোগ পাওয়া যায়।
  • কম্পিউটার ও ওয়াইফাই সুবিধা এবং শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত ক্লাসরুম।

গ্রাফিক্স ডিজাইন কোর্স ফি

  • অফলাইন কোর্স
    • ৬০০০ ৩ মাস
      • অফিসে বসে কোর্স করতে পারবেন।
      • কম্পিউটার এবং ওয়াইফাই সুবিধা
      • মাস্টার ট্রেইনার দ্বারা পরিচালিত
      • শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত ক্লাসরুম

    • রেজিস্ট্রেশন করুন
  • অনলাইন কোর্স
    • ৬০০০ ৩ মাস
      • জুম/গুগোল মিটের মাধ্যমে ক্লাস গ্রহণ
      • মাস্টার ট্রেইনার দ্বারা পরিচালিত
      • অনলাইনে পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ
      • অডিও/ভিডিও ই-লার্নিং ক্লাস

    • রেজিস্ট্রেশন করুন

কোর্স সম্পর্কে প্রশ্ন ও উত্তর

গ্রাফিক্স ডিজাইন কি ?

গ্রাফিক্স শব্দটি এসেছে জার্মান শব্দ গ্রাফিক থেকে।  গ্রাফিক্স ডিজাইন দুটি শব্দ যার প্রথম শব্দ গ্রাফিক্স। গ্রাফিক্স শব্দটিকে ভাঙ্গলে দুটি শব্দ পাওয়া যায়। একটি হলো গ্রাফ আরেকটি হলো ফিক্স। গ্রাফ মানে রেখা বা চিত্র আর ফিক্স মানে নির্দিষ্ট। গ্রাফিক্স শব্দের অর্থ দাড়ায় নির্দিষ্ট একটি চিত্র আর ডিজাইন অর্থ আকার বা নকশা। অর্থাৎ গ্রাফিক ডিজাইন হলো এমন একটি প্রক্রিয়া, যেখানে আমরা নিজের ধারণা, শিল্প (art) এবং দক্ষতা (skills) ব্যবহার কোরে ছবি (pictures), শব্দ (words), পাঠ (text) এবং ধারণার মিশ্রণ (combine) কোরে একটি আলাদা এবং নতুন ছবি (picture) তৈরি করি। গ্রাফিক্স ডিজাইন  কোর্স  করা থাকলে আপনি যেকোন ধরনের সরকারি ও বেসরকারি চাকুরি করতে পারবেন এছাড়াও আপনারা বিভিন্ন ধরনরে কাজে যেমন ফ্রিল্যান্সিং বা আউটসোর্সিং এর মাধ্যমে অনলাইনে টাকা আয় করতে পারবেন। গ্রাফিক্স ডিজাইন কোর্স শিখিয়ে আপনি নিজেও আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে পারবেন যা আপনাকে উদ্যোক্তা হিসেবে অনেক বেশি সহায়ক ভূমিকা পালন করবে।

গ্রাফিক্স ডিজাইন কোর্সে কি কি প্রোগ্রাম শিখতে পারবো?

  • Adobe Photoshop
  • Adobe Illustrator
  • Adobe Indesign

এই কোর্স করে সার্টিফিকেট কি পাওয়া যাবে?

হ্যাঁ, এই কোর্স করে ৩/৬ মাস মেয়াদী বেসরকারি সার্টিফিকেট দেওয়া হয়।

গ্রাফিক্স ডিজাইন শিখে কি চাকুরির আবেদন করতে পারব?

গ্রাফিক্স ডিজাইন শিখে চাকুরির আবেদন করা যাবে।

সরাসরি অফিসে এসে কিভাবে কোর্স করব?

আপনি সরাসরি অফিসে এসে গ্রাফিক্স ডিজাইন কোর্স করতে পারবেন অথবা অনলাইনের মাধ্যমেও এই কোর্সটি করতে পারবেন।

গ্রাফিক্স ডিজাইন কি কি কাজে ব্যবহার করা যায় ?

গ্রাফিক্স ডিজাইনের প্রচুর চাহিদা বিশ্ব বাজারে। এখন সবাই যেহেতু অনলাইনে ব্যবসা ও অফিসিয়াল কাজ করছে তাই খুব সহজেই আপনি পেয়ে যাবেন আপনার পছন্দের কাজ হাতের নাগালে। এছাড়াও দেশে ও দেশের বাইরে আপনি যে ধরনের পদে ও অফিসে গ্রাফিক্স ডিজাইনের কাজ করতে পারবেন তা দেখুন—

সিনিয়র গ্রাফিক্স ডিজাইনার হিসেবে যোগ দিতে পারেন সরকারি ও বেসরকারি কোম্পানিতে।গ্রাফিক্স ডিজাইনার হিসেবে কাজ করতে পারেন দেশ ও দেশের বাইরের বিভিন্ন আইটি সেক্টরে।জেলা, উপজেলা ও সরকারি কার্যালয়ে গ্রাফিক্স ডিজাইনার হিসেবে যোগ দিতে পারেন।ইমেজ এডিটিং এর কাজ করতে পারেন বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে।
ফ্রিল্যান্সিং মার্কেট প্লেসগুলোতে খুব সহজেই ঘরে বসে পেয়ে যেতে পারেন গ্রাফিক্স এর কাজ।অনলাইন মার্কেট প্লেসগুলোতে কাজ পেতে পারেন।ওয়ব ডেভেলপিং সাইট গুলোতে কাজ করতে পারেন।ম্যাগাজিন ও সংবাদ মাধ্যম গুলোতে কাজ করতে পারেন।

অনলাইনের মাধ্যমে কি এই কোর্স করতে পারব?

অনলাইনের মাধ্যমেও এই কোর্সটি করতে পারবেন।

কোর্সের পেমেন্ট কিভাবে পরিশোধ করব এবং কোর্স ফি কত?

কোর্সের পেমেন্ট আপনি অফিসে সরাসরি জমা দিতে পারেন অথবা অনলাইনের মাধ্যমে জমা দিতে পারবেন।

গ্রাফিক্স ডিজাইন কোর্স শিখতে কি কি লাগে ?

গ্রাফিক্স ডিজাইন কোর্সের জন্য বাসায় কম্পিউটার ও ইন্টারনেট থাকলে ভালো হয় তবে যদি না থাকে তাতেও কোন সমস্যা নেই আপনি আমাদের অফিসে এসে আপনার কোর্স সম্পন্ন করতে পারবেন এবং প্র্যাকটিস করার জন্য ও যথার্থ সময় পাবেন।

গ্রাফিক্স ডিজাইন কোর্স করে কি ফ্রিল্যান্সিং ও আউটসোর্সিং করা যায়?

গ্রাফিক্স ডিজাইন কোর্স করে আপনি ফ্রিল্যান্সিং ও আউটসোর্সিং করতে পারবেন।

আমাদের ক্লাস সমূহ